default | grid-3 | grid-2

Post per Page

কোলকাতা VIRUS (CHAPTER 5)

The bad the worse and the worst



YEAR - 1964
.
নেপালের Himalayan region এর একটা জঙ্গল শিবপ্রসাদ (অভীক বাবুর বাবা) কিছু medicinals plants এর খোঁজে গিয়েছেন। সাথে একটা নেপালী ছেলে রয়েছে পথ চেনাবার জন্য। কাছেই একটা ছোট গ্রাম সেখান থেকেই এসেছে ছেলেটা। শিবপ্রসাদ জঙ্গলের ভেতর হাটতে হাটতে ছেলেটাকে জিজ্ঞাসা করলেন,
- ধানু, এখানে কোনও গাছ দেখেছিস রে লাল লম্বা লম্বা পাতা আর তার মদ্ধে হলুদ ছিট ছিট।
- ধানু : (একটু ভেবে) হাঁ ঝিল কিনারে।
- শিবপ্রসাদ : চল তো তাহলে ওদিকে যাই।
- ধানু : পাত্তা দিয়ে কি করবে? ও পাত্তার তো সব্জি ভি হয় না।
- শিবপ্রসাদ : (একটু হেসে) সব্জি নয় রে, ওটা দিয়ে অসুধ তৈরি হবে দাবাই।
- ধানু : (অবাক হয়ে) পাত্তা দিয়ে দাবাই?
- শিবপ্রসাদ : হ্যাঁ রে, এটাকে আয়ুর্বেদ বলে, পৃথিবীর সবচাইতে পুরোনো চিকিৎসা। আগে এসব ট্যাব্লেলেট, সিরাপ এসব কিছুই ছিলনা। লোকে বিভিন্ন গাছপালা থেকে সমস্ত রোগের ওষুধ বানিয়ে নিত।
- ধানু : বাবার ডায়বেটিস ভি সেরে যাবে?
- শিবপ্রসাদ : হ্যাঁ অবশ্যই। তোকে একটা দাবাই দিয়ে যাব, রোজ দুবেলা বাবাকে খাওয়াবি।
.
কথা বলতে বলতে তারা ঝিলের কাছে পৌঁছে গেল। ঝিলের যে দিকটার সেই গাছটা আছে ধানু সে
দিকে নিয়ে যেতে লাগলো।
.
এমন সময় শুনতে পেল জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে কেউ একজন জোরে দৌড়ে আসছে। ওরা দুজনে একটু এগিয়ে গিয়ে দেখার চেষ্টা করলো।
.
দূর থেকে দেখলো একজন লোক দৌড়ে ঝিলের দিকে আসছে। একটু কাছাকাছি এলে ধানু চিনতে পারলো, শিবপ্রসাদের দিকে তাকিয়ে বললো,
- ব্রজেশ, আমাদের গাঁও এর মন্দির এর পূজারী।
.
শিবপ্রসাদ দের দেখতে পেয়ে তাদের দিকে ছুটে এল।
.
হাঁফাতে হাঁফাতে তাদের কাছে এসে শিবপ্রসাদদের কাছে এসে তার হাতে একটা চোট বাক্স ধরিয়ে দিয়ে নেপালী ভাষায় বললো,
- এতে রাক্ষস আছে, এতদিন দেবী মায়ের কাছে ছিল তাই কিছু হয়নি কিন্তু এখন এতে কিছু শয়তানের নজর পড়েছে। ওদের হাতে পড়লে সারা পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। আমার কাছে সময় খুব কম, আপনার দায়িত্বে আমি এটা দিয়ে যাচ্ছি, আপনি আমাকে কথা দিন কোনও দিন কোনো খারাপ হাতে যেতে দেবেন না। সর্বনাশ হয়ে যাবে নাহলে। 
.
ধানু বাংলায় বুঝিয়ে বললো শিবপ্রসাদ কে।
.
শিবপ্রসাদ ওনার হাত ধরে বললো,
- ঠিক আছে, কিন্তু এতে কি আছে?
ব্রজেশ : রাখসস আছে, কালা রাখসস। দুনিয়া খতম করে দেবে।
.
বলেই সেখান থেকে দৌড়ে পালালো। কিছুদূর যাবার পর তারা শুনতে পেল একদল লোক ব্রজেশ কে ঘিরে ফেলেছে আর নেপালী ভাসায় কিছু একটা জিজ্ঞেস করছে চিৎকার করে। ব্রজেশ একই উত্তর দিয়ে যাচ্ছে প্রতিবার। একটু পড়ে ভারী কিছু দিয়ে একটা আওয়াজের শব্দ এলো, আর তার সাথে একটা জোড়ালো চিৎকার।
.
CUT

YEAR - 2019
.
হর্ষ বাবুর বাড়িতে বিষাদের ছায়া। সোহিনী আর তার husband hall ঘরের একটা কোনায় বসে আছে। মাঝের center টেবিলের সামনে চেয়ারে বসে আছে হর্ষ বাবু। পার্থ আর রিয়া পাশের একটা সোফায় বসে আছে। রাহুল দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আছে। রাহুলই প্রথম নিরবতা টা ভাঙ্গল।
.
- রাহুল : বাইরে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে যা হচ্ছে তাতে আমার মনে হয় আমাদের survive করতে হলে সবাইকে একসাথে থাকতে হবে।
- হর্ষ edykvg
Q@/ দূর। ও হ্যাঁ ভালো কথা, আমি যখন বাইরে বেড়িয়েছিলাম তখন একটা বাড়ি থেকে কিছু ladies dress পেয়েছি। দেখো তোমার কিছু fit হয় কিনা।
ami Utt.Uttered t
বলে ব্যাগ থেকে কয়েকটা জামা বার করলো।rr
.
- রিয়া : তোমার বাড়িতে কে কে আছে?
- পার্থ : আমি আর বাবা। আমার বাবা মা এর separation হয়ে গেছে, ওঁরা আলাদা থাকে।
- রিয়া : ওহ।
.
এমন সময় ওদের জানালার বাইরে একটা খচ খচ শব্দ শুনতে পেল। পার্থ জানালা দিয়ে একবার উঁকি মেরে এক দৌড়ে ভেতরের ঘরে গিয়ে রাহুল কে ডাক দিল। রাহুল ঘর থেকে বেড়িয়ে এলো।
.
- পার্থ : রাহুল শিগ্গিরি বাইরে চলো, তোমাদের পেছনের দরজাটা খোলা ছিল। সেখান দিয়ে কয়েকজন compound এর ভেতরে ঢুকে পড়েছে।
.
দুজনে মিলে তারাতাড়ি করে বাইরে এলো। ততক্ষণে ৫/৬ জন ভেতরে ঢুকে গেছে। রাহুল সবার আগে গিয়ে বাইরের gate টা বন্ধ করলো। তারপর একজন একটা Cricket bat আর একজন একটা বেলচা দিয়ে লোকগুলোকে মাথায় আঘাত করতে লাগল।
.
ইতিমধ্যে হর্ষ বাবুও এসে গেছেন। উনি পড়ে মাটিতে পড়ে যাওয়া লোকগুলিকে খুব সাবধানে তারাতাড়ি করে gate এর বাইরে ফেলে দিয়ে আসছেন। একবার রাহুল আর পার্থর দিকে তাকিয়ে বললেন,
- তোমরা একটু কম আওয়াজ করো, ওরা শব্দে attract হয়।
.
সবাই যখন এদিকে ব্যাস্ত তখন কেউ খেয়াল করেনি একজন infected কখন দরজা দিয়ে ভেতরে ঢুকে গেছে। তাকে সবার আগে লক্ষ্য করে সোহিনী র husband. সে দেখেই সবার আগে চিৎকার করে।.
.
চিৎকার শুনে রিয়া দৌড়ে hall ঘরে আসে। এসে দেখে সোহিনী টেবিলে থাকা হর্ষ বাবুর american dagger টা তুলে নিয়েছে। দ্রুততার সাথে লোকটার কাছে গিয়ে কোনও কথা না বলে লোকটার মাথায় ঢুকিয়ে দেয়। লোকটা সেখানেই পড়ে যায়।
.
CUT

YEAR - 2014
.
সন্ধাবেলা মহেশতলায় একটা পরিত্যক্ত godown. main road থেকে অনেকটাই ভেতরে। কাঁচা রাস্তা দিয়ে একটা গাড়ি এসে godown এর সামনে এসে দাঁড়ালো। Madam গাড়ি থেকে নেমে সোজা godown এ ঢুকে গেলো। ভেতরে আলো ছিলনা, madam টর্চ জ্বালিয়ে basement এর দিকে এগোল। godown এর ভেতর প্রচুর ইঁদুরের বাসা ছিলো। আলো পেয়ে তারা এদিক ওদিক ছোটাছুটি করতে লাগলো।
.
Madam basement এর সিঁড়ি বেয়ে নীচে নেমে এলো। নীচে অনেক গুলো ঘর। এটা আগে একটা cold storage ছিলো। এই ঘরগুলোতে মাল রাখা হতো।
.
Madam একটু এগিয়ে ডান দিকের ঘরে knock করলো।
.
ঘরের দরজা খুলে ওপাড়ে দেখা গেলো সৃঞ্জয়কে।
.
- সৃঞ্জয় : আসুন madam.
.
madam ঘরের ভেতর ঢুকলো। ঘরের মাঝখানে দুটো বড় electrode মতো জিনিস রাখা আর মাঝখানে একটা electric চেয়ার রাখা যেখান থেকে কিছু তার বেড়িয়ে অনেক কটা laptop এর সাথে connected. electrode দুটো directly  একটা, box মতো Chamber এর সাথে attached. Box এর সামনের দিকের wall টা কাঁচের হওয়াতে ভেতরটা দেখা যাচ্ছে। বাইরে থেকে বোঝা যাচ্ছে ভেতরটা কিছু দিয়ে cooling করে রাখা হয়েছে। box এর বাইরেটাতে বড় বড় করে লেখা Nuclear Core.
.
সৃঞ্জয় ছাড়াও সেখানে আরো দুজন রয়েছে, রাজর্ষি আর একজন ভদ্রলোক।
.
- Madam : (ভদ্রলোক এর দিকে তাকিয়ে) কি কমরেড মানবেন্দ্র!!! কেমন আছেন পরিবর্তন এর পরিস্থিতি তে?
- মানবেন্দ্র : (একটু হেসে) আমাদের আভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের তুলনায় অনেক শান্তিতেই আছি।
- Madam : সৃঞ্জয়, ওনার bio mapping ঠিকঠাক করিয়েছো তো।
- সৃঞ্জয় : হ্যাঁ madam, সব report ঠিকঠাক আছে আমি ভালো করে check করেছি। উনি perfectly Compatible.
- Madam : (মানবেন্দ্রর দিকে তাকিয়ে) আপনি rarest blood এর অধিকারী মানবেন্দ্র বাবু। আপনার RBC and Platelet ratio normal human being এর থেকে completely different.  আমাদের experiment এর জন্য যেটা দরকার। (একটু হেসে) যাদের জন্য এতদিন রক্ত ঝরালেন তারা এর মূল্যই বুঝলোনা।
- সৃঞ্জয় : (একটু ইতস্তত করে) madam, আমার এখনো মনে হচ্ছে এটা একটু early হয়ে যাচ্ছে।
- Madam : আমাকে শুধু বলো মানবেন্দ্র বাবুর কোনো Health Hazard এর possibility আছে নাকি!
- সৃঞ্জয় : না madam ওটা 100% confirmed. কিন্তু causality গ্রাউন্ডে আরও কিছু sampling করে নিলে better হতো।
- Madam : সামনের মাসে election. সেটা একবারই হবে আমি সেখানে বার বার sampling এর সুযোগ পাবনা। তুমি sequence initiate করো।
.
সৃঞ্জয় একটা laptop এ গিয়ে কিছু command type করলো। মানবেন্দ্র কে বললো চেয়ারটাতে গিয়ে বসতে।
.
মানবেন্দ্র বাবু চেয়ারে গিয়ে বসলো।
.
- সৃঞ্জয় : মানবেন্দ্র বাবু আপনাকে আমরা ২ বছর আগে আমাদের হাসনাবাদ base এ send করছি। During procrss আপনার কোনোরকম কোনো অসুবিধা feel হলে আমাদের জানাবেন।
.
madam আমি initiate করছি তাহলে।
.
- Madam : please.
.
- সৃঞ্জয় : রাজর্ষি,  set the coordinate 22.577542 degree North and 88.917362 degree East.
- রাজর্ষি : Set.
- সৃঞ্জয় : initiating electro magnetic teleportation.
.
একটা electrode থেকে একটা নীলচে সাদা light beam চেরারটা pass করে আরেকটা electrode এ গিয়ে মিশে গেল।
.
সৃঞ্জয় : increasing beam radiation.
.
আলোটা আরও উজ্জ্বল হলো এবং সেটা নীলচে থেকে ধীরে ধীরে কমলা হতে লাগলো।
.
হঠাৎ পাশের একটা monitor এ beeping সাউন্ড শোনা গেল।
.
রাজর্ষি : madam, মানবেন্দ্র বাবুর pressure fall korche rapidly. 90/65 still decreasing.
.
madam 80/60… 50/…
.
Madam একবার ডাকলো,
- মানবেন্দ্র বাবু!!!
.
কোনো উত্তর নেই।
.
- Madam : সৃঞ্জয় terminate the sequence.
- সৃঞ্জয় : madam ete causality তে heavily  impact hobe.
- Madam : (চিৎকার করে) I said bloody terminate the sequence. NOW.
- সৃঞ্জয় : terminating sequence.
.
electrode দুটোতে vibration হতে লাগলো। light beam টা ধীরে ধীরে ম্লান হতে লাগলো। একটু পরে জোড়ে একটা ঝাঁকুনি দিয়ে light টা suddenly stop হয়ে গেল।
.
madam সাথে সাথে দৌড়ে মানবেন্দ্র বাবুর কাছে গেল। monitor এ দেখা গেল blood pressure টা ধীরে ধীরে stable হচ্ছে। madam ওনার কাঁধে একটা ঝাঁকুনি দিয়ে ডাকলেন,
- মানবেন্দ্র বাবু!
.
মানবেন্দ্র বাবু ধীরে ধীরে চোখ খুললেন।
.
- Madam : (একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে) Thank God!!!
.
রাজর্ষি, causality analysis ready করো, quick.
- রাজর্ষি : yes madam.
.
সৃঞ্জয় laptop ছেড়ে উঠে এলো। madam এর দিকে তাকিয়ে বললো,
- Madam আমি বলেছিলাম।
- Madam : সৃঞ্জয় আমি বারে বারে বলছিলাম bio mapping টা ঠিকমতো করতে।
- সৃঞ্জয় : বিশ্বাস করুন madam সব কিছু perfect ছিল, আমি অনেকবার test করেছি। আমার মনে হয় ওনার past এ কোনো বড়সড় trauma আছে। যার জন্য ওনার body কে move করতে গেলে mind এর সাথে coordination হচ্ছেনা। এই কারনে শরীরের  balance  টা unstable হয়ে যাচ্ছে।
.
এর মধ্যে রাজর্ষি ডাক দেয়,
- Madam, causality analysis ready হয়ে গেছে।
.
দুজনে রাজর্ষির কাছে যায়,
.
- সৃঞ্জয় : প্রথমে impact calculation দেখাও।
- রাজর্ষি : (laptop থেকে চোখ না সরিয়ে) immature termination এর জন্য একটা time pocket তৈরি হয়েছে।
- সৃঞ্জয় : Dureation কতো? Location ki?
- রাজর্ষি : 3 second এর একটা time pocket তৈরি হয়েছে। 5.5442699 degree North and 99.952585 degree East.
- সৃঞ্জয় : Locate করো।
.
রাজর্ষি coordinate টা locate করে বললো,
- South China Sea তে পরছে approximately 370km north west to Penang Island, Malaysia.
- Madam : ok, causality check করো।
.
রাজর্ষি laptop এ একটু analysis করলো। কিছুক্ষন পর মুখ থেকে একটা অস্ফুট শব্দ বেড়িয়ে এলো।
- Shit!!!
- Madam : কি হয়েছে?
- রাজর্ষি : ওই moment এ Malaysian Airlines এর Flight MH370, Malaysia to Beijing same pocket দিয়ে pass করছিল।
- সৃঞ্জয় : (মাথায় হাত দিয়ে) সর্বনাশ! Object এর destination signature কি দেখাচ্ছে?
- রাজর্ষি : 2068
- Madam : আমাকে কেউ বাংলায় বলবে কি হচ্ছে?
- সৃঞ্জয় : Madam Malaysia থেকে একটা flight MH 370 take off করে Beijing এর উদ্দেশ্যে কিন্তু সেটা একটা certain location এ আমাদের time pocket এর সাথে coincide করায় present time line এর থেকে সেটার existance চলে যায়। অর্থাৎ present এ ওই flight টাকে আর কেউ খুঁজে পাবেনা।
- madam : কোথায় যায় ওটা?
- সৃঞ্জয় : 2068 এ।

...চলবে

No comments

Error Page Image

Error Page Image

Oooops.... Could not find it!!!

The page you were looking for, could not be found. You may have typed the address incorrectly or you may have used an outdated link.

Go to Homepage