default | grid-3 | grid-2

Post per Page

কোলকাতা VIRUS (CHAPTER 3)


The Virus



YEAR - 2019
.
বড় রাস্তার পাশে একটা ছোট গলি, তার এক কোনায় ভিক্টর দাঁড়িয়ে আছে।
.
সে দেখতে পেল আটো থেকে নেমে দৌড়ে গলির মদ্ধে ঢুকে গেল অনিমেষ।
.
কাছাকাছি এসে ভিক্টর কে দেখতে পেয়ে সে বললো,
- তোমাকেই দরকার ছিল, শোন virus আমার হাত থেকে spread হয়নি। zenais pharmaceutical থেকে একটা sample এসেছে আমাদের lab এ। কিভাবে এসেছে, কি sample ছিল আমি কিছুই জানিনা। তবে ওখান থেকেই এই infection এর outbreak হয়।
.
কথা বলতে বলতে অনিমেষ এর মুখ নাক থেকে অনবরত রক্ত পড়ছিল।
.
- ভিক্টর : আপনি তো খুব অসুস্থ, আমার সাথে আসুন।
- অনিমেষ : কোনো লাভ হবেনা, আমার হাতে হয়ত আর একদম সময় নেই। তুমি দেখ কিছু করতে পার কিনা.
.
বলে গলি দিয়ে এগিয়ে গেল।
.
CUT

YEAR - 2030
.
- Madam : রাজর্ষি, আমাকে archive থেকে zenais pharmaceutical সম্পর্কে যা যা তথ্য পাও জানাও।
.
রাজর্ষি কিছুক্ষন analysis করে জানালো,
- Madam, ২০১৯ এর October এ zenais এর সাথে একটা বড়ো chinese pharmaceutical Company র deal হয়।
.
আরো পুরোনো তথ্য দেখে জানায় ২০১৯ এর July মাসে company র director change হয়। এর আগে company র দায়িত্বে ছিলেন অভীক সরখেল, পড়ে দায়িত্ব চলে যায় প্রকাশ সারাফ এর হাতে।
.
এর প্রতিষ্ঠতা ছিলেন শিবপ্রসাদ সরখেল, অভীক সরখেল এর বাবা। উনি ১৯৩৮ সালে এটা চালু করেন।  প্রথমে এনারা আয়ুর্বেদিক অসুধ তৈরি করতেন। শিবপ্রসাদ মারা যাবার পর তার ছেলে এর হাল ধরে পরে তার সাথে partnership হয় প্রকাশ সারাফ এর এবং তারা pharmaceutical domain এ কাজ শুরু করে।
.
- ভিক্টর : Madam আমাকে ২০১৯ এর ১২ ডিসেম্বর বিকেলে CRADB (Central Research Academy for Biological Disease) র অফিস এ send করুন।
- Madam : এত ঘন ঘন time jump করলে তোমার health এ এর effect পড়বে। প্রত্যেকবার time travel এর সাথে শরীরের একটু করে ক্ষতি হয় high radiation এর জন্য।
- ভিক্টর : এই মুহুর্তে আমি ছাড়া আর কাউকে দিয়ে যখন এই কাজটা হবে না তখন আমাকে এটা করতেই হবে।
- মাদাম : কিন্তু…
- ভিক্টর : আপনি ভাববেন না Madam, আমি ঠিক আছি আর এই epidemic টা বন্ধ করা গেলে একসাথে অনেক লোককে বাঁচানো যাবে আর আপনিও হয়তো আপনার সন্তান কে ফিরে পাবেন।
.
Madam একবার ভিক্টরের দিকে তাকালো। তারপর বললো,
- সৃঞ্জয়, coordinate set করো।
.
CUT

পার্থ ছাদের থেকে নীচে নেমে এলো। রিয়া তখনও মুখ গুঁজে আছে দুটো হাটুর মাঝে। পার্থ বললো,
- ছাদে চলো একটা emergency exit আছে, ওটা দিয়ে বেড়োতে হবে।
- রিয়া : (কান্না ভেজা গলায়) লোকটা তো আমাদের বাঁচালো, আমরা তাকে বাঁচাতে পারলাম না।
- পার্থ : দেখো, এই পরিস্থিতিতে এরকম অনেক discission ই নিতে হবে emotion কে একটু saide এ রেখে। নাহলে survive করতে পারবেনা। আর তাছাড়া ওনাকে বাঁচানোর কোনওরকম উপায় থাকলে আমি চেষ্টা করতাম। কিন্তু পরিস্থিতি হাতের বাইরে ছিল।
- রিয়া : আমি এর জন্য নিজেকে কোনোদিনও ক্ষমা করতে পারব না।
.
পার্থ রিয়ার পাশে গিয়ে বসলো যাতে পরিস্থিতি টা একটু সহজ হয়।
.
একটু পরে
- পার্থ : এখান থেকে এখন বেরোতে না পারলে পরে বেলা বাড়লে আরো মুশকিল হয়ে যাবে।
.
পার্থ রিয়াকে নিয়ে hospital এর ছাদে ওঠে। সেখান থেকে লোহার emergency সিঁড়ি বেয়ে দুজনে নামতে শুরু করে খুব ধীরে ধীরে যাতে কোনোরকম শব্দ না হয়। প্রথমে পার্থ নামছিল তারপর রিয়া। ওরা যখন প্রায় নীচে পৌঁছে গেছে তখন সিঁড়ির পেছন থেকে একজন হাঠাৎ পার্থর পা টেনে ধরে পার্থ নীচে পড়ে যায় আর সেই আওয়াজে আশেপাশের আরও কিছু লোক সেদিকে আসতে শুরু করে। লোকগুলো যখন খুব কাছাকাছি চলে আসে তখন একটা গাড়ির টায়ারের আওয়াজ হয়।
.
একটা গাড়ি জোরে এসে hospital compound এ দাঁড়ায়। সেখান থেকে দুজন লোক নেমে আসে দুজনের হাতেই বেলচা। তারা গাড়ি থেকে নেমেই infected লোকগুলোর মাথায় বেলচা দিয়ে আঘাত করতে থাকে তারা সব মাটিতে পড়ে যায়। কিন্তু পরক্ষনেই তারা আবার উঠে দাঁড়াবার চেষ্টা করতে থাকে। এভাবে কিছুক্ষণ চলার পর একজন ইশারায় পার্থকে গাড়িতে গিয়ে উঠতে বলে আরেক জন রিয়াকে নিয়ে যায় গাড়িতে। এরপর সবাই গাড়িতে উঠে সেখান থেকে বেড়িয়ে আসে।
.
CUT


YEAR - 2019
.
CRADB র office. main  gate দিয়ে ঢুকে ভিক্টর এগিয়ে গেল visitors register এর দিকে।
.
register এ সই করার সময় একবার visitor list এ চোখ বোলালো। দেখতে পেল দুপুর ২ টার সময় Zenais Pharma থেকে একজন visitor এসেছিল। নাম অমিত মজুমদার। আস্তে করে তার ফোন নাম্বার টার ছবি তুলে নেয়।
.
ঠিক তখনই সে লক্ষ্য করে blazer পড়া একটা লোক তার পেছন দিয়ে ছুটে বেড়িয়ে গেল।
.
ভিক্টর বাইরে বেড়িয়ে এসে অমিতের নাম্বারে ফোন করলো। ওপাড়ে,
- হ্যালো।
- ভিক্টর : Mr. Amit Majumdar?
- আমিত : কে বলছেন?
- ভিক্টর : আপনি আজ দুপুরে CRADB র lab এ কিছু sample test করতে দিয়ে এসেছিলেন?
.
এবার অমিতের গলায় আতঙ্কের ছাপ,
.
- অমিত : আপনি কে বলছেন?
- ভিক্টর : আলাপচারিতা পরে হবে, আপনি কোথায় থাকেন বলুন আপনার সাথে খুব জরুরি দরকার আছে।
- অমিত : (কাঁদো কাঁদো গলায়) দেখুন সারাফজী কে কিছু বলবেন না please.
- ভিক্টর : ব্যাপারটা আপনি যা ভাবছেন তার থেকেও অনেক বেশী ভয়ংকর। আপনি কোথায় থাকেন বলুন।
- অমিত : ২১ বালীগঞ্জ প্লেস। সোনার তরী appartment, 3rd floor.
.
CUT

calling bell এর আওয়াজ। দরজা খুললো একজন গোবেচারা মতো লোক।
- আপনিই কি ফোন করেছিলেন?
- ভিক্টর : হ্যাঁ।
- অমিত : ভেতরে আসুন।
- ভিক্টর : অমিত বাবু, sample টা কিসের ছিল?
- অমিত : ওটা একটা blood sample ছিল। বিশ্বাস করুন এর থেকে বেশী আমি আর কিছু জানিনা। আপনি কিন্তু please সারাফজী কে কিছু বলবেনা না, পায়ে পড়ি আপনার।
- ভিক্টর : আপনি ওটা পেলেন কোথা থেকে?
- অমিত : আমি zenais pharma তে accountant এর কাজ করি। প্রায় ১২ বছর হয়ে গেলো আমি এই company তে আছি।
.
গত পরশু পুরোনো accounts মেলানোর জন্য আমাকে অনেক রাত পর্যন্ত office এ থাকতে হয়। আমি আমার cabin এ কাজ করছিলাম হঠাৎ শুনতে পাই sir দের cabin এ খুব জোরে জোরে কথা হচ্ছে। প্রথমে পাত্তা দেইনি কিন্তু তারপর দেখি কথাবার্তা টা ঝগড়ার মতো লাগছে।
.
আমি cabin থেকে বেড়িয়ে একটু কাছে গেলাম, কি হয়েছে বোঝার জন্য। শুনতে পেলাম অভীক স্যার আর সারাফজীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হচ্ছে। পরে বুঝলাম Chinese company র সাথে deal টা নিয়ে ঝামেলা হচ্ছে।
.
- অভীক : আপনি কার অনুমতি নিয়ে আমাদের secret শেয়ার করেছেন chinese company র সাথে?
- সারাফজী : অভীক বাবু আপনি ভুলে গিয়েছেন company র ৬০% শেয়ার আমার, আর তাছাড়া আপনার personal ৩০ লাখ টাকা ধার রয়েছে company র কাছে। কিসের permission? আমি চাইলে যে কোনও দিন company র ownership claim করতে পারি। আপনার ভাগ্য ভালো এখনও আপনাকে পার্টনার হিসাবে রেখে দিয়েছি।
- অভীক : আমি আপনাকে পার্টনার করেছি।
- সারাফজী : সে তো আপনার দরকার ছিল তাই, আয়ুর্বেদ থিকে pharma company কি করে হলো? পইসা টা কোথা থিকে এলো?
- অভীক : আপনার সাথে secret share করাটাই আমার ভুল হয়েছে।
- সারাফজী : secret ধুয়ে কি জোল খাবেন সারা জীবন? business ভাবুন অভীক বাবু business নইলে সারা জীবন আপনার পিতাজীর মতো আয়ুর্বেদিক চুরন বেচে যেতে হোবে। আর তাছাড়া আমরা তো এতো দিন চেষ্টা কোরলাম এতো রিসার্চ কোরলাম কিছু হাতে এলো কি?
- অভীক : আমাদের team তো কাজ করছিলো এটা নিয়ে একদিন breakthrough ঠিকই হতো। আমাদের কাছে যে sample টা আছে সেটা সারা পৃথিবীতে বিরল, আমার বাবা কবে থেকে preserve করে রেখে দিয়েছে। আমরা তো দেখেছি এর unique behaviour. একদিন আমরা cancer এর medicine ঠিক বার করতে পারতাম।
- সারাফজী : আর সেই দেখার জন্য আপনি আর আমি বুডঢা হয়ে আরেক বার জন্মে যেতাম। আপনি জানেন কি ওরা কোতো ডোলার offer করেছে just ওই sample টার জন্য।
- অভীক : আমি জানতে চাইনা, আপনি কাজটা ভালো করেননি। এর ফল ভালো হবেনা। আপনার ধারনা নেই এটা খারাপ হাতে গেলে কি হতে পারে।
- সারাফজী : আপনি ভাবুন আপনার ফোল নিয়ে, আমি একটু টাকা নিয়ে ভাবি।
.
- অমিত : আমি অনেক্ষন ধরে ওদের কথাবার্তা শুনছিলাম। সব শোনার পর আমার কৌতুহল হলো sample টাতে কি আছে সেটা জানার। তখন মনে পড়লো lab এ একটা high security ভল্ট আছে যার চাবি একমাত্র অভীক স্যার আর সারাফজীর কাছে আছে। experiment এর সময় যদি কখনো দরকার হয় তখন তারাই বার করে দেয় তাও অত্যন্ত সতর্কতার সাথে। সামান্য sample নিয়ে আবার ভল্টে ঢুকিয়ে দেয়।
.
lab এর সবার অনুমতি ছিলনা direct সেই sample নিয়ে experiment করার। একজন Senior scientist আছেন বিশ্বনাথন বাবু, আর অভীক বাবুর ছেলে assist করতো ওনাকে। এনারা দুজন শুধু access করতে পারতো। অভীক বাবুর ছেলে এখন বাইরে আছে, আজ ফিরবে তাই বিশ্বনাথন বাবু একাই কাজ করছিলেন আজ lab এ।
.
- ভিক্টর : আপনি কি করে পেলেন?
- অমিত : বিশ্বনাথন বাবু পাগল গোছের লোক, উনি কাজ ছাড়া আর কিছু বোঝেন না। কাজ করার সময় অন্যদিকে তার কোনো হুঁশ থাকে না। আজ উনি যখন sample টা নিয়ে কাজ করছিলেন তখন একটা কাজের জন্য ওনাকে furnace এর দিকে যেতে হয়। সে সময় lab এও লোক কম ছিল। আমি সেই সু্যগে সেখানে গিয়ে একটা slide এ করে কিছুটা sample নিয়ে নেই।
- ভিক্টর : ওটা কোথা থেকে এসেছিল? কি ছিল ওই sample এ?
- অমিত : বিশ্বাস করুন আমি কিছুই জানিনা, শুধু এটুকু জানি ওটা অভীক স্যার এর বাবা খুব গোপনীয়তার সাথে এতদিন preserve করে রেখেছিলেন ওটা।
.
এর মধ্যে বাইরে বেশ হট্টগোল এর আওয়াজ আসে, অমিত উঠে গিয়ে জানালার কাছে আসে। বাইরে দেখে প্রচুর মানুষ ছোটাছুটি করছে। পাশের flat এর ভদ্রলোক বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছে। অমিত ভদ্রলোককে জিজ্ঞাসা করলেন,
- কি হয়েছে রবিদা? এত চিৎকার কিসের?
- রবিদা : বলেন কি মশাই, কিছু জানেন না? TV টা চালিয়ে দেখুন গিয়ে।
.
অমিত ঘরে এসে TV টা চালিয়ে দেখলো খবরে দেখাচ্ছে, সারা শহরে emergency high alert জারি হয়ে গেছে, সবাইকে ঘরের থেকে না বেড়োবার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আর তার সাথে কসবায় ঘটে যাওয়া সেই দুর্ঘটনার ভিডিওটা দেখাচ্ছে।
.
অমিত কিছুটা হতভম্ব হয়ে ঘুরে ভিক্টরের দিকে তাকালো, কিন্তু দেখলো ভিক্টর সেখানে নেই এদিকে ঘরের ছিটকিনি ভেতর থেকে লাগানো।
.
CUT

গাড়ীটা এসে টালিগঞ্জ এর একটা বাড়ির সামনে থামলো। দুজন লোক নেমে রিয়া আর পার্থকে ঘরের ভেতর নিয়ে গেল। তারা দুজন বাবা আর ছেলে। বেশ বড় ঘর, দেখেই বোঝা যায় অভিজাত পরিবার। দামী আসবাবপত্র চারপাশে। ঘরে ঢুকে তারা পরিচয় দিলেন,
- আমি হর্ষ দত্ত। আর আমার ছেলে রাহুল।
- পার্থ : আমি পার্থ আর ও রিয়া। আপনারা আমাদের দেখলেন কিভাবে?
- হর্ষ : আমরা hospital এই আসছিলাম আমার দাদা ওখানে admit ছিল।
- পার্থ : তাকে খুঁজে পেলেন।
- হর্ষ : হুম।
- পার্থ : কই সে এলোনা তো?
- হর্ষ : he is no more like us, he became one of them.
- পার্থ : Oh I am so sorry.
- হর্ষ : (পার্থর কাঁধে হাত রেখে) Its OK.
- রিয়া : একটা ফোন করা যাবে? বাড়িতে ফোন করবো। আসলে আমার ফোনটা আমি showroom এই ফেলে এসেছি।
- হর্ষ : ya sure.
.
বলে সে তার mobile টা রিয়া কে দিল। রিয়া তার বাবার number এ ফোন করলো, কিন্তু পুরো ring হয়ে যাবার পরেও কেউ ধরলো না।
- হর্ষ : তোমরা fresh হয়ে নাও। আমি একটু পড়ে খাবারের সরঞ্জাম এর খোঁজে বেড়োবো। (পার্থর দিকে তাকিয়ে) young man you have to accompany me.
- পার্থ : হ্যাঁ অবশ্যই।
- হর্ষ : by the way একটা family কে কাল রাতে rescue করেছি। বাবা মা আর ছোট মেয়ে।  মেয়েটার একটু জ্বর হয়েছে। ওরা ওপরের ঘরে আছে, (রিয়ার দিকে তাকিয়ে) young lady please look after them.
.
CUT

অভীক বাবু সন্ধ্যায় বাড়িতে বসে TV তে এই খবরটা দেখতে পেয়ে একটা ফোন করতে যায়। কিন্তু তার আগেই তার mobile এ ফোন বিশ্বনাথন এর ফোন আসে,
- বিশ্বনাথন : অভীক বাবু সর্বনাশ হয়ে গেছে।
- অভীক : হ্যাঁ TV তে দেখছিলাম news টা।
- বিশ্বনাথন : অভীক বাবু, আমাদের sample missing. সারাফজী আর lab এর intern রা সবাই dead. আমি আর ঘনাশ্যাম পেছন দিয়ে কোনোমতে পালিয়ে বেঁচেছি।
- অভীক : কি বলছেন আপনি! কি করে হলো!!!
- বিশ্বনাথন : আমরা অন্য ঘরে ছিলাম, দেখলাম দুজন লোক mask পড়ে lab এ ঢোকে। তাদের হাতে firearms ছিল। সারাফজী কে কিছু একটা বলে, সারাফজী ভল্ট খুলে দেয়। ওরা sample টা বার করে নেয়। তারপর open firing শুরু করে। আমারা সাথে সাথে পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে আসি।
- অভীক : আপনি পুলিশকে জানিয়েছেন?
- বিশ্বনাথন : বাইরে কি অবস্থা একবার দেখেছেন?
.
ঘরের বাইরে চিৎকার তখন আরো বেড়ে গেছে। হঠাৎ তার দরজায় একটা knock হয়। অভীক বাবু দরজা খুলে দেখে বাইরে দুজন লোক lather jacket পড়ে দারিয়ে আছে। তিনি দুজনকে ভেতরে আসতে বলেন।
.
তারা ভেতরে এসে অভীক বাবুর হাতে sample টা ধরিয়ে দেয়। অভীক বাবু তাদের ডানদিকে ইশারা করে।  সেখানে একটা ব্রিফকেস পড়ে ছিল।
.
তারা সেটা তুলে নিয়ে ঘর থেকে বেড়িয়ে যায়।

No comments

Error Page Image

Error Page Image

Oooops.... Could not find it!!!

The page you were looking for, could not be found. You may have typed the address incorrectly or you may have used an outdated link.

Go to Homepage