default | grid-3 | grid-2

Post per Page

কোলকাতা VIRUS (CHAPTER 1)

The outbreak



YEAR - 2019

.
শীতের দুপুর আর কিছুক্ষনের মধ্যেই বিকেল হবে আকাশের রঙ কমলা হয়ে আছে, রুবী মোড়।
.
একটা লোক হন্তদন্ত হয়ে গড়িয়াহাট যাবার অটোর দিকে এগিয়ে এলো।
.
লোকটার বয়স প্রায় পঞ্চাশের কাছাকাছি, গায়ে formal blazer চোখে rimless চশমা, clean shaved আর মুখে রুমাল চাপা। মাঝে মাঝে অল্প কাশছে।
.
সে উঠে অটোর সামনের সীটে ড্রাইভারের পাশে বসলো।
.
পেছনের সীটে ডানদিকে একজন বৃদ্ধ, মাঝে সাত আট বছরের একটা ছেলে আর বা দিকে তার মা।
.
কিছুদূর যাবার পর সামনের লোকটার কাশি আরও বেড়ে গেলো।
.
মাঝের সীটের ছেলেটা হঠাৎ looking glass দিয়ে লক্ষ্য করলো সামনের লোকটার রুমালে অল্প রক্ত লেগে আছে।
.
কাশির বেগ আরো বেড়ে যায়
.
কসবার কাছে একটা জ্যাম এ অটোটা দাড়াতেই লোকটা ঝড়ের বেগে নেমে পড়ে। পকেট থেকে ১০০ টাকার একটা নোট বার করে আটোওয়ালার হাতে দিয়ে পাশের গলি তে দৌড়ে ঢুকে যায়।
.
আটোওয়ালা পেছন থেকে চিৎকার করে ওঠে,
- ও দাদা balance টা নিয়ে যান।
- ও দাদা!
কিন্ত লোকটা গলির মধ্যে দৌড়ে চলে যায়। তার পা দুটো টলছে।
.
CUT

বস্তি মতো একটা ঘিঞ্জি এলাকায় কলপাড়ে একজন বয়ষ্ক মহিলা বাসন মাজছে আর দুটো বৌ পাশে দাড়িয়ে ঝগড়া করছে।
.
হঠাৎ তারা দেখতে পায় সামনের গলি থেকে একটা লোক মাতালের মতো টলতে টলতে আসছে, দেখে মনে হচ্ছে যেকোনো মুহূর্তে পড়ে যাবে।
.
আরও কাছে এলে দেখা গেলো মুখে রক্ত লেগে আছে আর blazer এও রক্তের দাগ। লোকটা কোনোমতে সামনে এসে কলপাড়ে রাখা বাসন পত্রের ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়ে যায়।
.
বৃদ্ধা চিৎকার করে ওঠে। মুহূর্তের মধ্যে সেখানে লোকজন জড়ো হয়ে যায়।
.
কয়েকজন লোক মিলে লোকটাকে তুলতে যায়।
.
CUT

একটা calling bell এর শব্দ, ঘরের ভেতর থেকে একটা মহিলা কন্ঠস্বর ভেসে এলো,
- আসছি, এক মিনিট।
দরজা খুলতে দেখা গেলো সেই অটোর মহিলা, গায়ে house coat পড়া, পায়ে স্লিপার, ভেজা হাত একটা কাপড় দিয়ে মুছতে মুছতে এসে দরজা খুললো।
.
উনি ফোনে কারো সাথে কথা বলছিলেন। ফোনটা কাঁধে গুঁজে ফোনের ওপাড়ের লোকের উদ্দ্যেশ্যে বললেন,
- দাঁড়াও তো এক মিনিট।
.
একজন delivery মান দরজায় দাঁড়িয়ে আছে।
.
- মহিলা : বলুন!
- Delivery man : ম্যাডাম, flipkart delivery আছে।
- মহিলা : কি নামে আছে?
- Delivery man : অরুনাভ ব্যনার্জী।
- মহিলা : ঠিক আছে দিন।
.
একটা ছোট মতো box হাতে নিয়ে দরজা বন্ধ করে মহিলা ঘরে ঢুকে আবার ফোনে কথা বলতে শুরু করলো,
- না ওর কোনও parcel এসেছে। বলো
- (একটু হেসে) যাঃ অসভ্য কোথাকার!
- কি! এই শুক্রবার? না হবেনা।
.
কথা বলতে বলতে parcel টা dining table এর ওপর রেখে দিয়ে kitchen এর দিকে এগিয়ে গেলো।
.
- না না ওইদিন ও বাইরে যাচ্ছে, বিকেলে বেরোবে
- এক কাজ করো শনিবার দুপুরে করো,
- তো ম্যানেজ করো, আগুন নিয়েও খেলতে চাও আবার হাত পুড়ে যাবারও ভয় করো তাহলে চলবে কি করে?
- ঠিক আছে এসো আমি সেদিন গাজরের হালুয়া বানিয়ে রাখবো।
- তুমি থামবে! তোমার মাথায় আর কিছু আসেনা এসব ছাড়া?
- আচ্ছা শোনো আমি এখন রাখছি, কাজ আছে, পরে  Whatsapp করবো।
.
microwave oven টা on করে dining room এ এসে ছেলেকে ডাকলো,
.
- ঋক! কোথায় রে তুই? বাইরে থেকে এসে পা ধুয়েছিস?
- কিরে! আবার video game নিয়ে বসেছিস নাকি?
- ঋক!
.
ডাকতে ডাকতে Bedroom এর দিকে এগিয়ে যায় কিন্তু সেখানে কাউকে দেখতে পায়না। তার নজর পড়ে বিছানার চাদরের ওপর। দেখে চাদরে রক্তের দাগ লেগে আছে।
.
হঠাৎ শোনে বারান্দার থেকে কাশির শব্দ আসছে।
.
দৌড়ে বারান্দায় গিয়ে দেখে ঋক এক কোনায় বসে আছে আর কাশির সাথে মুখ দিয়ে রক্ত বার হচ্ছে।
.
মহিলা ভয় পেয়ে চিৎকার করে ওঠে।
.
ছেলেকে কোনওমতে bedroom এ নিয়ে এসে শুইয়ে দিয়ে হাতের কাছে একটা জামা দিয়ে মুখটা মুছিয়ে দেয়।
.
ছেলেটার কাশি তখন আরও বেড়ে গেছে।
.
সে তারাতারি dining room এ ছুটে গিয়ে ফোনটা নিয়ে এসে husband  কে call করে,
- তুমি কোথায় আছো? শিগ্গিরি বাড়ি এসো ঋক হঠাৎ  প্রচন্ড অসুস্থ হয়ে গেছে।
- এখন অতো কিছু বলার সময় নেই তুমি তারাতারি বাড়ি এসো।
.
তার গলায় একটা ভয় মেশানো কান্নার আওয়াজ। ফোন রেখে পাশে ছেলের দিকে তাকিয়ে দেখে তার চোখ বন্ধ হয়ে আছে।
.
কিছু একটা বলার চেষ্টা করতে যায়। কিন্তু তখন তারও কাশি শুরু হয়ে যায়।
.
CUT

তিনজন লোক ধরাধরি করে কলপাড় থেকে লোকটাকে তুলে পাশে নিয়ে যাবার চেষ্টা করে।
.
চারপাশে প্রচুর চিৎকার চেঁচামেচি চলছে। লোকটার চোখ তখন বন্ধ।
.
নিয়ে যাবার সময় একজন হঠাৎ লক্ষ্য করে লোকটার চোখ খুলে গেছে। চোখটা টকটকে লাল হয়ে আছে আর মুখে একটা হিংস্র ভাব। চোখ খুলেই সে ছটফট করতে থাকে।
.
সবাই জোড়ে চিৎকার করে ওঠে। যারা লোকটাকে ধরাধরি করে নিয়ে যাচ্ছিল তারাও ভয় পেয়ে তাকে নামিয়ে দেয়।
.
এমন সময় লোকটা হঠাৎ করে একজনের হাত ধরে ফেলে আর কোনও সুযোগ না দিয়েই তার হাতে জোড়ে কামড় বসিয়ে দেয়। লোকটা ব্যাথায় চিৎকার করে ওঠে।
.
এরকম আকস্মিক ঘটনার জন্য কেউ তৈরি ছিলনা। পেছন থেকে কয়েকজন মিলে লোকটার চুলের মুঠি টেনে মাথাটা সরাতে চায়, কিন্তু তবু সে তার কামড় ছাড়েনা।
.
কামড়ে এক সময় হাত থেকে মাংস তুলে নেয়।
.
নিজেক কোনোমতে ছাড়িয়ে নিয়ে আহত লোকটা সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
.
ইতিমধ্যে লোকটা আরও ক্ষিপ্র হয়ে ওঠে।
.
এরকম ভয়ংকর দৃশ্য দেখে যারা সেখানে ভীড় করে দাঁড়িয়েছিল, যে যেদিকে পারে দৌড়ে পালাতে থাকে।
.
এমন সময় সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা একজন পাশ থেকে একটা বাঁশ যোগার করে আর সজোড়ে লোকটার কোমড়ে মারে।
.
লোকোটা ছিটকে আবার ভীড়ের মধ্যে গিয়ে পড়ে।
.
কোমড়ে আঘাত লাগার ফলে তার উঠে দাঁড়াবার ক্ষমতা চলে গিয়েছিল। কিন্তু সে শুয়ে থাকা অবস্তাতেই সামনের একজনের পা ধরে ফেলে এবং তাকে টেনে ফেলে দিয়ে তার ঘাড়ে জোড়ে একটা কামড় বসিয়ে দেয়।
.
একটা বিকট চিৎকার।
.
CUT

গোলপার্ক এলাকায় একটা বড় TV showroom এর display TV তে নিউজ চলছে,
- News anchor : আপনারা দেখছেন আজ কসবা এলাকায় ঘটে যাওয়া সেই মর্মান্তিক ছবি। আজ বিকেলে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির অতর্কিত আক্রমণে দুজন স্থানীয় গুরুতর আহত হয়। আপনারা দেখছেন একজন স্থানীয় ব্যাক্তির mobile থেকে তোলা সেই footage. আক্রমনের কারন নিয়ে এখনো ধোঁয়াশায় রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। আমাদের প্রতিনিধি জয়ন্ত রাহার থেকে শুনে নেব পুরো ব্যাপারটা।
.
দোকানের সব কর্মচারী, sales person সবাই একসাথে খবরটা দেখছিল।
.
এমন সময় দোকানের বাইরে কাঁচের দেওয়ালে জোড়ে একটা ধাক্কা খাওয়ার শব্দ হয়। সবাই সেদিকে তাকায়
.
তারা দেখে একজন লোক দকানের কাঁচের দেওয়ালে ধাক্কা খেয়ে নীচে পড়ে গেল, তার গলা থেকে খুবলে কেউ মাংস তুলে নিয়েছে, সারা শরীর রক্তে ভেসে যাচ্ছে। দোকানের সবাই দেওয়ালের কাছে গিয়ে ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করছিল।
.
হঠাৎ পেছন থেকে এক কর্মচারী চিৎকার করে উঠল, সবাই পেছনে ঘুড়ে দেখলো showroom এর দরজা খুলে একজন মহিলা ভেতরে ঢুকে পড়েছে, চোখ দুটো ভাটার মতো জ্বলছে।
.
কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই দৌড়ে এসে একজনের গলায় কামড় বসিয়ে দেয়।
.
বাকিরা ভয় পেয়ে দৌড়ে পালাতে যায় কিন্তু ততক্ষনে দরজা দিয়ে আরো কয়েকজন ঢুকে পড়েছে।
.
CUT

Bathroom এর flash এর শব্দ, showroom এর toilet থেকে একজন sales girl বেড়িয়ে আসে।
.
সে washroom এর আয়নার সামনে দাড়িয়ে মুখটা একবার দেখে নেয়, তারপর চুলটা একটু set করে নিয়ে washroom থেকে বেড়িয়ে আসে।
.
ফিরে এসে দেখে তার সব সহকর্মী রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছে, তাদের সারা শরীরে কামড়ের ক্ষতবিক্ষত চিহ্ন।
.
সে কি যে করবে কিচ্ছু বুঝে উঠতে পারেনা, দৌড়ে, manager এর ঘরে যায়, কিন্তু সেখানে কেউ নেই।
.
ফিরে এসে দেখে TV তে  দেখাচ্ছে সারা শহরে emergency high alert জারি হয়ে গেছে, সবাইকে ঘরের থেকে না বেড়োবার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
.
সে কি করবে বুঝে উঠতে পারেনা এসময় তার বাইরে বেড়োনো উচিৎ নাকি ভেতরেই থাকা উচিৎ। mobile এ কাউকে ফোন করার চেষ্টা করে কিন্তু ring হয়ে যায় কেউ ফোন ধরে না।
.
এমন সময় তার নজর পড়ে মেঝেতে পড়ে থাকা এক সহকর্মীর দিকে। সে দেখতে পায় তার এক সহকর্মী হঠাৎ চোখ খুলে উঠে দাঁড়াবার চেষ্টা করছে।
.
উঠে দাঁড়িয়ে সেই সহকর্মী তার দিকে এগিয়ে আসতে থাকে।
.
সে ভয়ে আস্তে আস্তে পেছাতে থাকে, সে যতই পেছায় তার সহকর্মী ততই এগোতে থাকে।
.
এবার সে তার সহকর্মীর নাম ধরে ডাকে,
- কিংশুক কি করছিস?
- কিংশুক?
.
তবু সে এগোতেই থাকে
.
হাতের কাছে কিছু না পেয়ে পাশের টেবিল থেকে একটা, flower vase তুলে নেয়।
.
কিংশুক যখন একদম কাছাকাছি চলে তখন সে flower ভাসে টা দিয়ে কিংশুক এর মাথায় সজোরে আঘাত করে।
.
কিংশুক মাটিতে পড়ে যায় কিন্তু পরক্ষনেই আবার উঠে দাঁড়িয়ে আবার এগিয়ে আসতে শুরু করে।
.
sales girl তখন এক দৌড়ে দরজা খুলে বাইরে বেড়িয়ে আসে।
.
রাস্তায় বেড়িয়ে দেখে চারিদিকে লোকে পাগলের মত ছোটাছুটি করছে।
.
হঠাৎ একটা গাড়ি এসে তার পাশে রাস্তার divider এ ধাক্কা মারে। একদল লোক সেই শব্দ শুনে গাড়ির দিকে এগিয়ে আসতে থাকে। তাদের দেখেই বোঝা যাচ্ছে তারা কেউ সুস্থ নয়।
.
তার দিকে সকলের নজর পড়তে সবাই তার দিকেই এগিয়ে আসতে শুরু করে।
.
সে রাস্তা ধরে দৌড়াতে শুরু করে, এমন সময় দেখতে পায় আরও একদল লোক উল্টো দিক থেকে তার দিকে এগিয়ে আসছে।
.
সে কি করবে বুঝে উঠতে পারেনা।
.
দুদিক থেকে যখন সবাই খুব কাছে চলে আসে এমন সময় হঠাৎ কেউ তাকে পেছন থেকে টেনে ধরে আর পাশের গলিতে নিয়ে চলে যায়।
.
CUT

YEAR - 2015
.
Presidency College এ biology র ক্লাস চলছে। Dias এর ওপর একজন মাঝবয়সী lecturer ক্লাস নিচ্ছেন।
- A widespread occurrence of an infectious disease in a community at a particular time is called epidemic.
.
একটু pause নিয়ে
.
Most of time this is caused by some virus. For example flu or influenza virus. There are many references in history where we can find en entire civilization has been elided because of an epidemic.
.
ক্লাস শেষ হবার ঘন্টা বেজে ওঠে।
.
Lecturer ক্লাস থেকে বেড়িয়ে আসে। তার চোখে rimless চশমা, চুলে পাক ধরা আর গায়ে, blazer.
.
ভদ্রলোক staff room এ ঢুকে টেবিল এ রাখা তার দুটো বই ব্যাগে নিয়ে নেয়।
.
সামনের চেয়ারে বসা তার এক সহকর্মী জিজ্ঞাসা করে,
- চললেন নাকি অনিমেষ দা?
- ভদ্রলোক : হ্যাঁ আজ আর ক্লাস নেই।
- সহকর্মী : আপনার স্ত্রী কেমন আছে এখন?
- অনিমেষ : এখন একটু better.
.
Staff room থেকে বেড়িয়ে college এর gate এর কাছে যখন আসে তখন gate এর পাশ থেকে একজন বেড়িয়ে তার সামনে আসে, বয়স মোটামুটি ৩০ এর আশেপাশে jeans এর প্যান্ট, T-shirt আর গায়ে jeans এর jacket.
- Mr. Animesh Chatterjee?
- অনিমেষ : হ্যাঁ, আপনি কে?
- Stranger : এখানে কথা বলা যাবেনা, আপনি আমার সাথে আসুন।
- অনিমেষ : আপনাকে আমি চিনিনা জানিনা, এভাবে অপরিচিত কারো সাথে আমি কোথাও যাইনা।
.
Stranger পকেট থেকে একটা ছোট revolver বার করে,
- Stranger : অনিমেষ বাবু ব্যাপারটা খুব serious আর আমার হাতে সময়ও বেশী নেই। আমার সাথে আসুন।
.
দুজনে মিলে college street এ একটা ফাঁকা ট্রামে উঠে পেছনের seat এ গিয়ে বসে।
.
- অনিমেষ : আপনি কে?
- Stranger : আমার নাম ভিক্টর।
- অনিমেষ : কি চাই আপনার?
- ভিক্টর : আপনি সবাইকে বাঁচাতে পারেন এক ভয়ংকর পরিনতি থেকে।
- অনিমেষ : বুঝলাম না। কিসের পরিনতি?
- ভিক্টর : ২০১৯ সালে কলকাতায় একটা ভয়াবহ epidemic disease ঘটতে চলেছে, এক ধরনের ভাইরাস সংক্রমণের ফল এটা। আপনি সেই সংক্রমণ আটকাতে পারবেন। এই ভাইরাস Central Research Academy for Biological Disease থেকে outbreak হবে, যার in-Charge থাকবেন আপনি।
- অনিমেষ : আপনি কি জ্যোতিষী নাকি কোনও পাগলা গারদ থেকে এসছেন?
- ভিক্টর : আমি ২০৩০ থেকে আসছি।
- অনিমেষ - (একটু হেসে) বলতে চাইছেন আপনি ভবিষ্যত থেকে আসছেন?
- ভিক্টর : না, বর্তমান থেকে। আপনি অতীতে আছেন।
.
বলে পকেট থেকে একটা ছবি বার করলো। ছবিতে দেখা যাচ্ছে অনিমেষ বাবু রাস্তার ওপর পড়ে আছে মাথাটা ফেটে রক্তে রাস্তা ভেসে যাচ্ছে পাশে আরও একটা dead body পড়ে আছে আর একটু দূরে একটা রক্তমাখা বাঁশ রাস্তায় গড়াগড়ি খাচ্ছে।
.

No comments

Error Page Image

Error Page Image

Oooops.... Could not find it!!!

The page you were looking for, could not be found. You may have typed the address incorrectly or you may have used an outdated link.

Go to Homepage