The infection
YEAR - 2019
.
ঢাকুরিয়া পঞ্চাননতলা AMRI Hospital এর কাছে রাতের বেলা একটা বছর ২৫ এর ছেলে showroom এর সেই salesgirl কে নিয়ে দৌড়াচ্ছে।
.
ছেলেটা একটা jeans আর pullover পড়া আর মেয়েটা একটা ইউনিফর্ম পড়া, navy blue skirt আর top.
.
ওদের পেছনে কিছু লোক তাড়া করেছে। লোকগুলোর গতি খুব বেশী ছিলনা তাই ওরা অনেকটাই এগিয়ে ছিল।
.
Main রাস্তা থেকে নেমে ঢকুরিয়া ব্রীজ হাতের ডানদিকে রেখে AMRI hospital এর সামনের গলি তে চলে আসে। কিছুদূর
যাবার পর মেয়েটা হাঁফিয়ে ওঠে। রাস্তায় দাড়িয়ে পড়ে।
.
ছেলেটা কাছে এসে বলে,
- বেশীক্ষণ এখানে দাঁড়াবেন না। যায়গাটা safe না।
.
মেয়েটা হাঁফাতে হাঁফাতে কাঁদোকাঁদো গলায় জিজ্ঞেস করলো,
- এরা কারা?
.
ছেলেটা উত্তর দিল,
- জানিনা, তবে দেখে মনে হচ্ছে লোকগুলো অসুস্থ কিছু একটা virus infection এর ফলে এরকম হতে পারে। by the way আমি পার্থ।
.
মেয়েটা উত্তর দিল
- আমি রিয়া।
.
হঠাৎ করে তারা দেখতে পায় সামনে flyover এর নীচের রাস্তা দিয়ে একদল লোক আসছে, তাদের চলার ভঙ্গি দেখেই বোঝা যাচ্ছে তারা কেউ সুস্থ লোক নয়।
.
পার্থ রিয়ার হাত ধরে টেনে নিয়ে Hospital এর reception area তে ঢুকে যায়। ফাঁকা হাসপাতাল, কোথাও লোকজন নেই। হাসপাতালের নীচে দাঁড়িয়ে তারা চুপচাপ লোকগুলো কে লক্ষ্য করতে থাকে।
.
লোকগুলো সামনের রাস্তা দিয়ে যখন পার হয়ে যাচ্ছিল সেই সময় হাসপাতালের ওপরের জানালা দিয়ে হঠাৎ একটা চিৎকার আসে,
- HELP! HELP! Please
.
সেই আওয়াজ শুনে লোকগুলো হাসপাতালের gate এর দিকে এগোতে শুরু করে।
.
হাসপাতালে সবাই অনেক আগেই ওখান থেকে পালিয়ে গেছে, একজন রুগী ওপরে আটকে ছিল। সে কিছুই জানেনা চারিদিকে কি চলছে। ওপর থেকে সাহায্যের জন্য চিৎকার করছে।
.
ওরা ভেবেছিল এখানে ওরা safe থাকবে, লোকগুলো সেখান থেকে চলে যাবার পর বেড়িয়ে আসবে, কিন্তু লোকগুলি সেদিকেই চলে আসায় তারা বিপদে পড়ে যায়।
.
কোনো রাস্তা না দেখে তারা reception area থেকে এগিয়ে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতে শুরু করে।
.
দুটো floor ওঠার পর যখন তারা সিঁড়ি দিয়ে আরও উঠবার চেষ্টা করে তখন হঠাৎ দেখতে পায় তিনজন লোক ওপর থেকে নেমে আসছে এবং তারা infected.
.
তাদের দুজনের গায়ে green apron আর একজনের গায়ে white apron. বোঝা গেলো দুজন patient আর একজন doctor ছিলো। একজন patient এর হাতে saline এর needle আর channel টা পর্যন্ত আটকে ছিলো।
.
নীচের লোকগুলো তখন second floor এ চলে এসছে, ওপরে তিনজন সিঁড়ি দিয়ে নামছে। তারা না আছে ওঠার রাস্তা নাই উপায় আছে নেমে আসার।
.
রিয়া প্রচন্ড ভয় পেয়ে যায়, পার্থ তাকে ইশারায় চুপ করে থাকতে বলে। দুদিক থেকেই লোকগুলো খুব কাছাকাছি চলে আসে এবং তাদের দুজনকে দেখতে পেয়ে তাদের মুখগুলো আরও হিংস্র হয়ে ওঠে।
.
পার্থ সিঁড়ির রেলিং দিয়ে একবার নীচে দেখার চেষ্টা করে কিন্তু বুঝতে পারে এখান দিয়ে বেড়োনো যাবেনা।
.
পার্থ ধাক্কা মেরে নীচে থেকে উঠে আসা লোকগুলোকে ফেলে দেবার চেষ্টা করে কিন্তু তাতে বিশেষ কিছু লাভ হয় না, এক দুজন গড়িয়ে পড়ে গেলেও বাকিরা তাকে ধরে ফেলে। পার্থ প্রানপন নিজেকে ছড়িয়ে নেবার চেষ্টা চালাতে থাকে।
.
ওপর থেকে নেমে আসা একজন রিয়া কে ধরে ফেলে এবং কামড়াতে উদ্যত হয়। রিয়ার শরীরের থেকে সব শক্তি চলে যেতে থাকে তার হাত পা অসাড় হয়ে আসে।
.
CUT
হঠাৎ ওপর থেকে একজন patient, salaine এর stand দিয়ে একজনের মাথা পেছন থেকে টেনে ধড়ে আর তার পরেই সেই stand দিয়ে দুজনর মাথায় প্রচন্ড জোড়ে আঘাত করে। তিনজন infected এর মদ্ধে দুজন সিঁড়িতে পড়ে যায়, একজন তার দিকে এগিয়ে গেলে সে ওই stand টা দিয়ে ধাক্কা মারে লোকটা গড়িয়ে পরে।
.
কিন্তু ধাক্কা দেবার ফলে নিজের নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পেরে সে নিজেও সিঁড়ি দিয়ে পা হড়কে পরে যায় এবং নীচ থেকে উঠে আসা কয়েকজন লোককে নিয়ে second floor এ গড়িয়ে পরে।
.
এই সুযোগে পার্থ নিজেকে ছাড়িয়ে নেয় এবং রিয়ার হাত ধরে টেনে ওপড়ে উঠে যায়।
.
সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার পর তারা দেখতে পায় নীচে লোকগুলো patient টাকে ঘিরে ফেলেছে। পার্থ সিঁড়ির দরজা বন্ধ করে দেয়।
.
নীচ থেকে সেই patient এর তীব্র আর্তনাদ শোনা যায়।
.
রিয়া দরজায় দেলান দিয়ে বসে পড়ে এবং দুই হাটুর মদ্ধে মুখটা গুঁজে কান্নায় ভেঙে পড়ে।
.
CUT
সারাটা রাত তারা দরজা বন্ধ করে হাসপাতালের third floor এ কাটিয়ে দেয়।
.
ভোরের আলো ফোঁটার সাথে সাথে তারা হাসপাতালের ছাদে চলে আসে। সেখান থেকে দেখতে পায় হাসপাতাল, তার আশেপাশের এলাকায় এবং ঢাকুরিয়া ব্রিজ এর ওপরেও বেশ কিছু infected লোক ঘোরাঘুরি করছে।
.
ছাদের চারিদিক দেখাবার পর সে লক্ষ্য করে পেছন দিকে একটা emergency exit এর জন্য লোহার সিঁড়ি আছে। আর পেছনের দিকে লোকও অপেক্ষাকৃত কম।
.
CUT
YEAR - 2015
.
ট্রামের মদ্ধে,
- অনিমেষ : (অবাক চোখে ছবিটার দিকে তাকিয়ে) কিন্তু এটা কিভাবে সম্ভব?
- ভিক্টর : দেখুন আমার কাছে এর থেকে বেশী কিছু জানা নেই, শুধু এটুকুই জানি ২০১৯ এ কলকাতায় সাংঘাতিক একটা virus সংক্রমণ হবে। এই virus মানুষের brain এর সমস্ত normal sense গুলোকে ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেবে। তাদের মদ্ধে শুধু একটাই instinct কাজ করবে সেটা হলো insecurity, ভয়। এছাড়া তারা আর কিছুই feel করতে পারবেনা। সাধারণ মানুষ এমনকি যেকোনও living being এদের কাছে শত্রু মনে হবে। এদের কামড় থেকে সুস্থ মানুষের শরীরে এই virus ছড়াবে। আর ধীরে ধীরে they will become one of them.
- অনিমেষ : তো এর কোনো antidote বার করা যায়নি?
- ভিক্টর : না, এর কোনো, cure বার করা যায়নি। এই virus human brain e মোটামুটি 65 days stay করে। তারপরে সেই carrier এর complete মৃত্যু hoy.
- অনিমেষ : তাহলে during the infection period are they dead or alive?
- ভিক্টর : মাঝামাঝি। তাদের শরীরের সব sensory organ নষ্ট হয়ে যায় কিন্তু তাদের brain is very much live. তাই কোনো ব্যাথা বা অন্য কোনো অনুভূতি তাদের থাকেনা। তাদের থামাবার একমত্র রাস্তা to destroy their brain.
- অনিমেষ : আমার এখানে কি করনীয় আছে?
- ভিক্টর : ২০১৯ এর ১২ ডিসেম্বর আপনি Central Research Academy for Biological Diseases এর lab এ একটা virus এর experimental application করবেন আর সেখান থেকেই এই deadly virus এর outbreak শুরু হবে। আপনাকে যে করে হোক এই experiment টা সেদিন বন্ধ রাখতে হবে।
- অনিমেষ : কিন্তু virus টাতো রয়েই গেলো সেটাতো পরে যেকোনো সময় ছডাতে পারে।
- ভিক্টর : হ্যাঁ কিন্তু আপাতত আমাদের প্রধান লক্ষ্য immidiate epidemic টা আটকানো।
.
- অনিমেষ : আমরা মানে কারা? কারা তোমরা? আর time travel? সেটা কি করে সম্ভব?
- ভিক্টর : ওটা অনেক বড় গল্প, এখন আমার হাতে সময় বেশী নেই।
.
ভিক্টর নিজের হাতের আঙুল গুলো দেখলো অসাড় হয়ে আসছে, সে শরীরে একটা তীব্র ঝাঁকুনি অনুভব করলো আর হাওয়া তে মিলিয়ে গেলো।
.
অনিমেষ হা করে চেয়ে রইল, ব্যাপারটা এখনো তার পুরোপুরি ধাতস্থ হয়নি।
.
ট্রাম যেহেতু ফাঁকাই ছিল তাই ট্রামের conductor এতক্ষন সামনের একটা seat এ বসে ছিল। কিছুক্ষন পর সে টিকিট কাটার জন্য পেছনে এলো।
.
এসে অবাক চোখে অনিমেষ এর দিকে তাকিয়ে বললো,
- আপনারা না দুজন উঠলেন, আরেকজন কোথায় গেলো?
.
অনিমেষ হা করে তাকিয়ে আছে বুঝে উঠতে পারছেনা কি বলবে।
.
- conductor : ও দাদা, আপনার সাথে আরেকজন ছিল যে কোথায় গেল?
.
অনিমেষ চুপ।
.
- condutor : আরে জানালা দিয়ে পালালো নাকি? কিছু বলবেন তো!
.
অনিমেষ চুপ
.
- conductor : কোথা থেকে যে পাগল ছাগল লোকজন সব ওঠে কে জানে! যত্ত সব গাঁজাখোরের দল। নিন আপনার ভাড়াটা করুন
.
CUT
YEAR - 2030
.
একটা সাদা ঘর, ভেতরের দেওয়াল সব সাদা, ঘরে আরকিছুই নেই। ওপরে ছাদে বড় একটা metal ball মতো লাগানো আছে।
.
হঠাৎ সেই metal ball এ একটা spark হলো, তার সাথে একটা sharp vibrating sound. পুরো ঘর একটা bluish white আলোতে ভরে যায়।
.
আলোটা একটু পরে ধীরে ধীরে কমে আসে। দেখা যায় ঘরের মাঝখানে jeans এর jacket আর pant পড়া একজন লোক হাটুর ওপর ভর দিয়ে বসে আছে।
.
ঘরে একটা মেয়ের গলায় announcement ভেসে এলো,
- Victor, are you all right?
.
victor বুড়ো আঙুলটা তুলে thumbs up sign দেখালো।
.
সাথে সাথে ঘরের দেওয়াল থেকে, slide করে একটা দরজা মতো খুলে গেলো।
.
ভিক্টর দরজা দিয়ে বাইরে বেড়িয়ে এলো। একটা বড় hall ঘর তার চারিদিকে রেলিং করে কিছু মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। অনেক computer রয়েছে চারপাশে কাঁচের দেওয়ালে ঘেরা যায়গায়। প্রচুর electric cable এসে মিশেছে center এ রাখা সাদা ঘরটায়।
computer room এর উল্টো দিকে একটা platform এ দুজন লোক আর একজন মহিলা দাড়িয়ে আছে। মহিলার বয়স মোটামুটি ৫০-৫৫, long gown পড়া, চোখে চশমা।
.
ভিক্টর সিঁড়ি দিয়ে উঠে platform মতো যায়গাটাতে এলো। মহিলা তার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললো,
- welcome to the present victor. good job done!
.
পাশথেকে একজন লোক এসে বললো,
- madam, causality analysis ready আছে।
.
তারা সবাই computer room এর দিকে এগিয়ে গেলো। এখানে অনেক computer, line দিয়ে রাখা আর লোকেরা তার সামনে বসে কাজ করছে। ওপরে কয়েকটা gient screen রাখা আছে সেখানে বিভিন্ন data analysis report দেখাচ্ছে।
.
madam ঘরে ঢুকতেই সেখানকার in-charge এগিয়ে এলো,
- in-charge : আসুন madam আমাদের causality analysis processing হয়ে গেছে।
.
বলে তারা একটা বড় screen এর দিকে এগোলো।
.
- madam : আমাকে ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ এর newspaper দেখান।
.
সেখানকার in-charge computer এ কিছু input করলো। সাথে সাথে screen এ একটা newspaper এর front page এলো।
.
বাংলা newspaper এর headline এ বড় বড় করে লেখা, "ভয়াবহ সংক্রমণে আক্রান্ত মহানগর, জারি চরম জরুরী অবস্থা"
.
সবার কপালে ভাঁজ,
.
- madam : (স্বগোতক্তি তে) এটা কি করে সম্ভব? ভিক্টর, তুমি অনিমেষ বাবুকে ঠিকঠাক বলেছিলে তো?
- ভিক্টর : 100%
- madam : কিন্তু তাহলে কিভাবে সম্ভব এটা!!! সৃঞ্জয় তুমি analytic report গুলো নিয়ে আমার ঘরে এসো।
.
CUT
YEAR - 2019, 12 জানুয়ারী
.
Central Research Academy for Biological Disease এর office এ নিজের cabin এ অনিমেষ। washroom এর basin থেকে চোখে মুখে জল দিয়ে তোয়ালে দিয়ে মুছে নিজের চেয়ারে এসে বসলেন। চোখে মুখে উৎকণ্ঠার ছাপ, ঘন ঘন ঘড়ি দেখছেন নিজের।
.
একজন intern তার cabin এ knock করলো,
- May I come in sir!
- অনিমেষ : Please come in.
.
intern ঢুকে বললো,
- Sir আমাদের arrangement ready. আপনার জন্য wait করছি।
- অনিমেষ : হ্যাঁ তোমরা যাও আমি আসছি।
.
intern চলে যাবার কিছুক্ষণ পর অনিমেষ cabin থেকে বেড়িয়ে corridor দিয়ে lab এর দিকে হাটতে লাগলো। যেতে যেতে ভাবছে কিভাবে আজকের experiment টা বন্ধ করা যায়।
.
একবার ভাবলো বলবে যে আজ তার শরীর খারাপ তাই আজ তিনি experiment টা করতে পারবেন না, কিন্তু তাহলে আজ বাদে কাল তাকে কাজটা করতেই হবে। তাই সে সিদ্ধান্ত নিল director কে পুরো ব্যাপারটা বলে দেবেন। যদিও ব্যাপারটা কাউকে বঝানোও খুব শক্ত তবু তার হাতে আর কোনো উপায় নেই।
.
এই ভেবে সে director এর cabin এর দিকে এগোতে লাগলো।
.
cabin কাছাকাছি পৌঁছে যখন দরজায় knock করতে যাবেন তখন director নিজেই room থেকে বেড়িয়ে আসে। বেড়িয়েই অনিমেষ কে দেখতে পেয়ে,
- আরে অনিমেষ বাবু আমি আপনার কাছেই যাচ্ছিলাম। আসুন আমার সাথে।
.
বলে তাকে তার private lab এ নিয়ে যায়। দুজনে সেই lab এ ঢোকে।
.
- Director : এদিকে আসুন। (বলে একটা microscope এর কাছে নিয়ে যায়।)
- Director : আজ zenais pharmaceutical থেকে একটা sample দিয়ে যায় synthesis analysis এর জন্য। analysis এ একটা strange ব্যাপার লক্ষ্য করলাম, এর মদ্ধে কিছু particles আছে যেগুলো একমাত্র living Organisms এর contact এ এলেই active হয়। আরও starange ব্যাপার হলো এই behaviour pattern এর সাথে কোনো known definition specie এর similarity পাচ্ছিনা।
.
অনিমেষের চোখে মুখে আতংকের ছাপ। সে বুঝতে পারে outbreak টা তাহলে তার experiment থেকে spread করেনি, সেটা আসলে ছড়ায় এখান থেকে।
.
- Director : আমি এই white rat এর ওপর কিছুটা sample apply করেছি।
.
বলে খাঁচায় একটা ইঁদুরের দিকে দেখালো। এর মদ্ধে director এর কাশি শুরু হয়ে যায়, সে পকেট থেকে একটা রুমাল বার করে।
.
অনিমেষ দেখল খাঁচায় একটা সাদা ইঁদুর ছোটা ছুটি করছে, চোখদুটো টকটকে লাল। ইঁদুরটা কামড় দিয়ে খাঁচাটার তার কাটার আপ্রান চেষ্টা করছে।
.
- অনিমেষ : সর্বনাআআআশ করেছেন!!!
.
বলে একছুটে building থেকে বেড়িয়ে যায়। কোনওমতে রুবী মোড়ে পৌঁছে গাড়িয়াহাটের একটা আটোতে উঠে বসে।
.
CUT
YEAR - 2030
.
একটা ছেলে অনেক্ষন ধরে analytic report গুলো study করছে,
- Madam : রাজর্ষি!!
- রাজর্ষি : (computer থেকে চোখ না সরিয়েই) madam, এই symantic causality analysis ধরে কোনোভাবেই cause আর event আলাদা করা যাচ্ছেনা। অনেক রকম iteration try kore দেখলাম।
- Madam : তাহলে?
- রাজর্ষি : (Madam এর দিকে তাকিয়ে) আমাদের virus এর origin টা খুঁজে বার করে তাকে destroy করতে হবে।



No comments