The gloomy song
YEAR - 2019
.
পার্থ আর হর্ষ বাবু বেড়িয়ে গেলো খাবারের ব্যবস্থা করতে। ঘরে রাহুল, রিয়া আর একটা পরিবারের বাবা, মা আর মেয়ে।
.
রাহুল রিয়াকে বললো,
- আপনি change করে নিন, আমি আপনাকে T shirt আর track pant দিচ্ছি। এইপাশের ঘরে চলে যান ওটা ফাঁকা আছে।
.
রিয়া পাশের ঘরে গিয়ে ঢুকলো। ঘরের দেওয়ালে একটা family photo টাঙানো আছে। রিয়া ছবিটার কাছে গিয়ে দেখল সেই ছবিতে হর্ষ বাবু, রাহুল, একজন মহিলা সম্ভবত হর্ষ বাবুর স্ত্রী এবং আরেক জন রয়েছে তার ছবি দেখে রিয়া রীতিমতো চমকে উঠলো। যে patient টা তাদের hospital এর সিঁড়িতে বাঁচিয়েছিল এটা তারই ছবি। তার মামে ইনি হর্ষ বাবুর দাদা। রিয়ার মনটা খারাপ হয়ে গেলো। তখনই তার দরজায় knock হয়। রাহুল এক set fresh জামা কাপড় নিয়ে এসেছে।
.
রিয়া bathroom এ চলে যায় ফ্রেশ হতে। বেড়িয়ে শুনতে পায় পাশের ঘর থেকে একটা চাপা কান্নার আওয়াজ আসছে।
.
রিয়া সেই ঘরে গিয়ে দেখতে পায় মা টা বাচ্চা মেয়েটাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছে। মেয়েটা ফুল হাতা জামা পড়ে ছিল। জামার হাতের কাছটা একটু বেড়িয়ে যাওয়ায় রিয়া লক্ষ্য করলো সেখানে একটা কামড়ের চিহ্ন।
.
রাহুল গিয়ে মেয়েটার pulse check করলো। ইশারায় লোকটাকে বললো she is no more. বউটার কান্না কিছুতেই থামছেনা। মেয়েটার চোখ বন্ধ ছিল। রিয়া বুঝতে পারল ভয়ংকর কিছু একটা ঘটতে পারে, সে বৌ টার কাছে গিয়ে তাকে তাকে সরিয়ে আনতে চাইলো। কিন্তু তাকে তার মেয়ের কাছ থেকে কিছুতেই সরানো যাচ্ছে না। এমন সময় হঠাৎ মেয়েটা চোখ খুললো, টকটকে লাল চোখ।
.
CUT
YEAR - 2012
.
Chief Minister's Office. একজন লোক গাড়ি থেকে নেমে security check পার করে office building এ ঢুকলো। CM এর room এর সামনে গিয়ে lobby র reception এ যিনি বসে আছেন তাকে বললো,
- আমার appointment আছে।
.
reception এর মহিলা জিজ্ঞাসা করলেন,
- আপনার নাম?
- ভদ্রলোক : সৃঞ্জয় বোস।
- receptionist : ID card টা দেখাবেন
.
সৃঞ্জয় নিজের ID Card বার করে দেখাল।
.
- receptionist : আপনি ভেতরে চলে যান madam আপনার wait করছে।
.
সৃঞ্জয় দরজা খুলে cm এর room এ ঢুকলো।
.
- সৃঞ্জয় : Madam!
.
CM মন দিয়ে একটা কাগজ দেখছিলেন। চোখে চশমা। সৃঞ্জয়ের দিকে চোখ তুলে তাকালো।
.
Madam : ও সৃঞ্জয় তূমি এসে গেছো! আমাকে দুটো মিনিট সময় দাও।
.
বলে টেবিল থেকে ফোনটা তুলে নিয়ে বললেন,
- শ্যমল বাবু, কাল Arvind Steel এর সাথে যে MOU Agreement টা আছে ওটা বিকেল ৩ টায় রাখো।
.
ফোন রেখে সৃঞ্জয়ের দিকে তাকালেন,
- আরে তুমি দাঁড়িয়ে আছো কেন? বসো।
.
সৃঞ্জয় সামনের চেয়ারটা টেনে বসলো।
.
Madam আবার ফোনটা তুলে reception এ ফোন করে বললো,
- শ্বাতী, এখন ১৫ মিনিট আমার ঘরে কাউকে ঢোকাবেনা।
.
ফোনটা রেখে দিয়ে বললো,
- হ্যাঁ সৃঞ্জয় বলো।
- সৃঞ্জয় : একটা সমস্যা হয়েছে madam.
- Madam : কি রকম?
- সৃঞ্জয় : small period এর মধ্যে যখন jump করাচ্ছি তখন according to calculation result পাচ্ছি, কিন্তু বড় time gap এ jump korabar মতো resource আমাদের কাছে নেই। আমাদের core এর power আরও বাড়াতে হবে to genereate more energy. আর তার জন্য আরো weapon grade uranium দরকার।
- Madam : এই তো ফেললে ঝামেলায়, এমনিতেই black market এ uranium পাওয়া এখন খুব শক্ত, legally আমি কিছুটা যোগার করতে পারবো, বাকিটা Iran থেকে কিনতে হবে black এ।
.
বলে টেবিল থেকে ফোনটা তুলে নিলো।
- হ্যাঁ, samuel এর সাথে একবার contact করো তো আজ রাতে, বলো urgent দরকার আছে।
.
ফোন রাখার পর সৃঞ্জয়ের উদ্দেশ্যে,
- এখন তোমাদের current base কোথায় আছে?
- সৃঞ্জয় : Canning
- Madam : কেন? তোমাদের না আমি বললাম প্রত্যেক মাসে base change করতে। তোমাদের যায়গাওতো আমি দিয়ে দিয়েছিলাম হাদনাবাদ এ।
- সৃঞ্জয় : আসলে Madam এই মাসটা খুব crucial ছিল experiment এর জন্য, তাই মাঝখানে আর shift করা হয়ে ওঠেনি।
- Madam : সৃঞ্জয়, তোমাদের কোনও ধারনা নেই আমি কতটা risk নিয়ে এই project টা চালাচ্ছি। Center থেকে permission না পাওয়া সত্ত্বেও আমি underground এ এটা চালাচ্ছি। তার ওপর radioactive substance নিয়ে কাজ। কোনও ভাবে যদি এটা opposition অথবা Delhi তে জানতে পারে, কি হবে জানো? এত দিন ধরে তৈরি করা আমার এই পার্টি এক মুহুর্তে শেষ।
- সৃঞ্জয় : বুঝতে পারছি Madam.
- Madam : এই constraints গুলো মাথায় রেখো, নাহলে এই project আমাকে বন্ধ করে দিতে হবে। বুঝতে পারলে?
- সৃঞ্জয় : হ্যাঁ Madam.
- Madam : তুমি computer algorithm analysis এর জন্য একজনকে চাইছিলে না!
- সৃঞ্জয় : হ্যাঁ, causality analysis এর জন্য একজনকে লাগবে।
- Madam : আমি রাজর্ষি নামে একজনকে পাঠিয়ে দিচ্ছি, খুব skillful ছেলে, (একটু হেসে) আমাদের finance database hack করেছিলো। তুমি একটু বাজিয়ে দেখে নাও।
.
আগেই base এ নিয়ে যাবেনা, প্রথমে কয়েকদিন আমাদের geo lab এ দেখে নাও। ঠিকঠাক বুঝলে তারপর base station এ নিয়ে যাবে।
- সৃঞ্জয় : ঠিক আছে madam আপনি পাঠিয়ে দিন আমি দেখে নিচ্ছি। আজ তাহলে আসছি
.
- Madam : হুম এসো।
.
সৃঞ্জয় চেয়ার থেকে উঠে দরজার দিকে এগোলো। দরজার দিয়ে বেড়োতে যাবে তখন,
- Madam : ও হ্যাঁ সৃঞ্জয় ভালো কথা। আমরা live object এর ওপর কবে test করবো?
- সৃঞ্জয় : একটু সময় লাগবে madam. নতুন core টা আসুক দেখছি কত তারাতারি করা যায়।
- Madam : ২০১৪ তে কিন্তু election.
.
CUT
YEAR - 2019
.
চোখ খুলেই মেয়েটা বিছানায় উঠে বসলো। রাহুল দৌড়ে এসে মেয়েটার গলাটা পেছন দিক থেকে বিছানায় শুইয়ে দিল।
.
মেয়েটা গায়ের সর্বশক্তি দিয়ে ওঠবার চেষ্টা করলো, কিন্তু রিয়া গিয়ে তৎক্ষনাৎ হাতদুটো গামছা দিয়ে খাটের সাথে বেঁধে দিল, আর রাহুলকে ইশারা করলো পা দুটো চেপে ধরতে।
.
এবার মেয়েটার মা, চিৎকার করে উঠলো,
- কি করছেন আপনারা তিন্নির সাথে।
.
রিয়া মহিলার কাছে গিয়ে বললো।
- দেখুন আপনার মেয়ে আর infected হয়ে গেছে, বুঝতে পারছি ব্যাপারটা মেনে নেওয়া আপনার পক্ষে শক্ত, কিন্তু ও আর normal নেই।
- মহিলা : normal নেই মানে? ওর শরীরে কিছু সমস্যা হয়েছে। ডাক্তার আছে তার জন্য। আপনারা ওকে ছেড়ে দিন। আমরা এখান থেকে চলে যাচ্ছি।
- রিয়া : আপনি বুঝতে পারছেননা। একটা virus..
.
মহিলা রিয়াকে মাঝখানে থামিয়ে দিয়ে বলে,
- আমি আপনাদের কোনও কথা শুনতে চাইনা, আমরা চলে যাচ্ছি এখান থেকে।
.
বলে তিন্নির হাত খুলতে যায়।
.
তিন্নি বাঁধা অবস্থায় বিছানায় নিজেকে ছাড়াবার আপ্রান চেষ্টা করতে থাকে, মুখে একটা ভয়ংকর হিংস্র ভাব।
.
রিয়া মহিলার হাত ধরে টেনে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়,
- Please যাবেন না ওর কাছে।
.
CUT
CM অফিস emergency control room. চারিদিক থেকে খালি ফোন আসছে। সমস্ত executive সেখানে busy. তারা সবাই একটাই পরামর্শ দিচ্ছে, ঘরের দরজা জানালা বন্ধ রাখার এবং ঘর থেকে না বেরোবার। Madam নিজের cabin এ বসে police Commissioner কে ফোন করলেন,
- অপূর্ব বাবু, situation কি?
.
ওপার থেকে,
- অপূর্ব : critical situation madam. কি করবো কিছুই বুঝে উঠতে পারছিনা। এ ধরনের situation আগে কখনো face করিনি।
- Madam : preventing measure কিছু ভেবেছেন?
- অপূর্ব : না ম্যাডাম। problem টা হলো কিছু করেই এদের আটকানো যাচ্ছেনা। they are more like living dead. only way to stop them is to shoot in their head. আপনি army call করুন madam, নাহলে situation হাতের বাইরে চলে যাবে।
- Madam : ঠিক আছে আমি দেখছি।
.
Madam ফোন রেখে PG hospital এর bio epidemic division এর head in charge কে ফোন করলেন,
- সুরঞ্জন বাবু কিছু পাওয়া গেল।
- সুরঞ্জন : Its a clear case of viral epidemic. এ ধরনের case আমি আগে কখনো দেখিনি। আমাদের কাছে যে কজন patient এসছে তাদের examin করে আমি দেখলাম, এই virus সবার আগে attack করছে white blood cell এ। আমাদের human body র immunity system টা পুরো নষ্ট করে দিচ্ছে। এভাবে সমস্ত organ including heart ধীরে ধীরে breakdown করছে। কিন্তু strang ব্যাপার হলো পুরো body dead হয়ে গেলেও brain এর একটা part active থাকছে। তাই তারা মরে গিয়েও to some extent alive.
- Madam : এর point of origin kichu জানা গেছে?
- সুরঞ্জন : first reported outbreak area থেকে অনুমান করছি এটা CRABD থেকে spread করে। আমি ওখানাকার director এর সাথেও contact করার চেষ্টা করি কিন্তু ওনাকে পাওয়া যায়নি।
- Madam : Any preventive measure or antidote?
- সুরঞ্জন : I am very sorry. I have no clue at this moment.
.
Madam ফোনটা রেখে দিয়ে এবার সৃঞ্জয় কে ফোন করলো,
- সৃঞ্জয় তোমরা কোন base এ আছো?
- সৃঞ্জয় : হাসনাবাদ-2 Madam.
- Madam : Initiate OPERATION কুম্ভকর্ণ immediately.
- সৃঞ্জয় : OK Madam.
.
সৃঞ্জয়ের সাথে কথা বলার পর স্বাতী কে বললেন,
- immediate শ্যামল বাবুকে বলো বাড়ি গিয়ে অভি কে নিয়ে আসতে এক্ষুনি। আর security in charge কে বলো আমার সাথে দেখা করতে।
.
ইতিমধ্যে শ্যামল বাবু নিজেই সেখানে উপস্থিত হয়। তার মুখটা ছোট হয়ে আছে।
.
- Madam : ও আপনি এসেছেন ভালোই হয়েছে, এক কাজ করুন আপনি বাড়ি চলে যান। ওখানে গিয়ে অভিকে এখানে নিয়ে আসুন আমি sicurity কে বলে দিচ্ছি, আপনার সাথে চারজন লোক চলে যাবে। আর DG কে বলে এখানকার security আরও বাড়িয়ে দেবার ব্যবস্থা করুন।
.
- শ্যামল বাবু : Madam আপনার বাড়ি থেকে এই মাত্র ফোন এসেছিল।
- Madam : (একটু চিন্তান্বিত হয়ে) কি বললো?
- শ্যামল বাবু : একটু আগে কিছু লোক আচমকা করে ঘরের ভেতর ঢুকে পরে, security আটকানোর চেষ্টা করে না মানায় তারা গুলিও চালায়, কিন্তু তাতে ওদের কিছু হয় না। ঘরে অভি বাবা একা ছিল…
.
বলে শ্যামল বাবু মাথা নামিয়ে নেয়।
.
Madam ধপ করে চেয়ারে বসে পড়ে। দু হাত দিয়ে কপালটা ধরে মাথাটা টেবিলের ওপর ঝুকিয়ে দেয়।
.
CUT
হর্ষ বাবু আর পার্থ খাবার যোগাড় করে ঘরে ঢোকে। ঢুকেই চ্যাঁচামেচি শুনে মহিলার ঘরে আসে। এসে দেখতে পান তিন্নি বাঁধা অবস্থায় বিছানায় পড়ে আছে। মাথার কাছে রিয়া। আর তিন্নির বাবা ওর মা কে ধরে আছে। তিন্নির মা হাউ হাউ করে কাঁদছে।
.
হর্ষ বাবু জিজ্ঞাসা করলেন,
- কি করে হলো?
.
রিয়া মেয়েটার জামার হাতাটা সরিয়ে হাতের কামড়টা দেখালো।
- হর্ষ বাবু : Shit!!!
.
এবার মহিলা হর্ষবাবু কে দেখতে পেয়ে কাঁদতে কাঁদতে বললো,
- আপনারা আমাদের কাল রাতে থাকতে দিয়েছেন, তার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। কিন্তু আমাদের please এবার যেতে দিন। আমার তিন্নি খুব অসুস্থ ওকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে।
- হর্ষ বাবু : আপনি আসুন আমার সাথে।
.
বলে মহিলা আর ভদ্রলোককে বাড়ির ছাদে নিয়ে এলেন।
.
বাইরে একটু দূরে একদল infected লোক রাস্তায় একটা dead body কে ঘিরে ধরে ছিড়েখুঁড়ে খাচ্ছে। মহিলা এই দৃশ্য দেখতে না পেরে দু হাত দিয়ে চোখ ঢেকে নিল। চারিদিকে এরকম আরও অসংখ্য লোক ছড়িয়ে রয়েছে।
.
মহিলা আবার কান্নায় ভেঙে পড়ল, ওনার husband পাশে গিয়ে কাঁধে হাত রাখলো। মহিলা এবার ওনার বুকে মাথা রেখে বাঁধ ভাঙা কান্নায় ভেঙে পড়ল। ভদ্রলোক ওনাকে জড়িয়ে ধরে বললেন,
- সোহিনী ভেঙে পোড়না, একটু শক্ত হও। আমি আছি তো।
.
ভদ্রলোকের চোখে জল, এবার সে নিজেকেও আর সামলাতে পারলোনা। দুজন দুজনকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লো।
.
হর্ষ বাবু নীচে নেমে এসে রাহুল কে কানে আস্তে করে কিছু একটা বললেন। রাহুল ওপরের একটা ঘরে গেলো।
.
রিয়া পার্থ কে জানালো হর্ষ বাবুর দাদার কথা। রিয়ার চোখ ছলছলে। পার্থ রিয়াকে স্বান্তনা দেবার জন্য রিয়ার হাত টা শক্ত করে নিজের হাতের মধ্যে চেপে ধরলো।
.
একটু বাদে রাহুল ওপর থেকে একটা revolver নিয়ে এসে হর্ষ বাবুর হাতে দিল।
.
হর্ষ বাবু তিন্নির ঘরে ঢুকলো।
.
একটা gunshot এর শব্দ।



No comments